শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩৮ অপরাহ্ন

ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে লাঙ্গলবন্দ তীর্থ অষ্টমী স্নানোৎসব শুরু

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১ বার পঠিত

ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে লাঙ্গলবন্দ তীর্থ অষ্টমী স্নানোৎসব শুরু

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ

নারায়নগঞ্জের বন্দরে ব্রহ্মপূত্র নদের কোল ঘেষে আজ রাত ২ টা ৮ মিনিট থেকে শুরু হবে লাঙ্গলবন্দ অষ্টমী স্নানোৎসব। সেই উপলক্ষে আজ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে পরিদর্শন করেন।এবং প্রধান অতিথি মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের পাপমোচনে স্নানোৎসব শেষ হবে আগামীকাল রাত ১২ টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত চলবে। স্নানোৎসব উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূণার্থীদের নিরাপত্তা বিষয়ে আগাম ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা। ইতিমধ্যে স্নান এলাকায় ২০ টি স্নান ঘাটলায় কাপড় পাল্টানো, চিকিৎসা সেবায় ভ্রাম্যমান কেন্দ্র, শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানি সরবারাহ, ও পূণার্থীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দেড় হাজার সদস্যরা। স্নান এলাকায় টহলে থাকবেন সেনাবাহিনী, রেব, ব্রহ্মপূত্র নদে টহলে থাকবে নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।

জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, আগাত পূর্ণার্থীদের সুবিধার্থে ১৬০ টি শৌচাগার স্থাপন করা হয়েছে। স্নান এলাকায় নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। সিসিটিভির পাশাপাশি পর্যবেক্ষণের জন্য থাকবে ড্রোন। পূর্ণার্থীদের নিরাপত্তা জোর লাঙ্গলবন্দ জুড়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগাম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

কথিত আছে, তৃতা যোগে অতীতে জমদগ্নি মহামুনির রেনুকা নামে এক রাজবংশীয় পরমাসুন্দরী স্ত্রী ছিল। তাদের ছিল পাঁচ পুত্র। সর্বকনিষ্ঠের নাম ছিল পরশুরাম। ঘটনাক্রমে মার্তিকাবর্ত দেশের রাজাকে সস্ত্রীক জলবিহার করতে দেখে আশ্রমবাসিনী রেণুকা কামস্পৃহ হয়ে পড়েন এবং নিজের পূর্ব-রাজকীয় জীবন সম্পর্কে স্মৃতিবিষ্ট হন। মুনি স্ত্রীর এই আসক্তি দেখে ক্রোধান্বিত হয়ে পাঁচ পুত্রকে তাদের মাতাকে হত্যার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু কোন পুত্রই মাতৃহত্যার মতো নিষ্ঠুর কাজ করতে রাজি হলো না। তখন মুনি তার প্রিয় পুত্র পরশুরামকে আদেশ দিলে পরশুরাম এক কুঠারের আঘাতে মাকে হত্যা করেন। মাকে হত্যা করে পরশুরাম পরম পাপী হিসেবে চিহ্নিত হন। পাপের শাস্তি হিসেবে কুঠারটি তার হাতে আটকে থাকে। শত চেষ্টা করেও তা থেকে তিনি মুক্ত হতে পারলেন না। তখন পিতা তাকে বিভিন্ন তীর্থস্থানে গিয়ে পাপমুক্ত হতে বলেন। মাতৃহত্যার ভয়াবহ পাপের অনুশোচনা নিয়ে তিনি তীর্থ থেকে তীর্থে ঘুরে বেড়ান। দেবতা ব্রহ্মপুত্র তখন হিমালয়ের বুকে হ্রদরূপে লুকিয়

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..