নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসীর বর্তমান জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া ১৪ ই জানুয়ারি যোগদান করেন। তার কার্যক্রমে নারায়ণগঞ্জ জেলার সকল দলের রাজনৈতিক নেতাকর্মী সহ ব্যবসায়ী শ্রমিক কর্মচারী সুশীল সমাজ নাগরিক সমাজ সহ সকলেরই মন জয় করতে পেরেছেন। যে কাজটা এত অল্প সময়ে কারো পক্ষেই করা সম্ভব হয়ে ওঠে নাই। যোগদানের পরেই নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন মহলের সাথে দিনের পর দিন মতবিনিময় সভা করেন ও মূল্যবান পরামর্শ গ্রহণ করেন। বেশিরভাগ মহলের প্রধান দাবি ছিল যানজট নিরসনের দাবি সহ চাঁদাবাজি ভূমি দস্যু চুরি ছিনতাই মাদকদ্রব্য লুটতরাজ বন্ধ করা ও সরকারি অফিসগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধি করার জন্য। সর্ব মহলের পরামর্শের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া তার কার্যক্রম শুরু করেন। প্রথমই যানজট নিরসনের এর কার্যক্রম শুরু করেন এবং অনেক কঠোরতার মধ্য দিয়ে ও মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম অব্যাহত রেখে ও বিভিন্ন মহলের সহযোগিতায় যানজট নিরসন করতে সক্ষম হয়। এর সুফল ভোগ করছে শহররবাসী। জিগু বাজার মীর জুমলা সড়কটি কারো পক্ষেই দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া এই সড়কটি দখলমুক্ত করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে দিয়ে যানজট নিরেশনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। এবং যাতায়াতের আরো সুবিধার জন্য ঢাকা নারায়ণগঞ্জ রুটে আট জোরা ট্রেন এর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন জেলা প্রশাসকের বিশেষ অনুরোধে ও আপ্রাণ প্রচেষ্টায়। যা ২৬ মার্চ তারিখ থেকে উদ্বোধনের কথা রয়েছে।বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ শহরবাসীর প্রধান সমস্যা যানজট। এই যানজট নিরসন করার কারনেই শহর বাসী সহ জেলা শহর জেলা বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন খুব দ্রুত। ট্রেন চলা শুরু করলে এতে যাত্রীদের অনেক টাকা সাশ্রয়ী হবে ট্রেনের টিকিটের মূল্য কম হওয়ায়।যোগদানের প্রথম দিন থেকেই মানবিক ও মানবতার কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে একের পর এক দুস্থ, অসহায়, চিকিৎসা করাতে অপারগ ও স্বাবলম্বী হতে চাওয়া ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কে নারায়ণগঞ্জকে মাদকমুক্ত করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জে মাদককে জিরো টলারেন্সে আনতে হবে। কারণ মাদক হচ্ছে সকল অপকর্মের মূল। মাদককে আমরা নির্মূল করতে পারলে বিভিন্ন প্রকার অপকর্ম গুলি অনেকটাই কমে আসবে।তাই মাদক নির্মূলে আমাদের জোরালো ভুমিকা পালন করতে হবে। নারায়ণগঞ্জ শিল্প প্রতিষ্ঠানের শহর। দেশের উন্নয়নে শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সহ বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থানের যোগান দিচ্ছে। তাই গ্যাস ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন যত প্রকার অবৈধ সংযোগ আছে তা খোঁজ নিয়ে অপসারণ করার জন্য। কারন আমরা শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছি না। তাদের এই চাহিদা পূরণে আমাদের বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। নারায়ণগঞ্জে জেলায় পাঁচটি উপজেলা ৩৯ টি ইউনিয়ন পাঁচটি পৌরসভা ৪৩টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও উপজেলা ভূমি অফিস সহ সরকারি সমস্ত অফিসকে নির্দেশনা দিয়েছেন সেবার মান বৃদ্ধি করার জন্য। যাতে কোন প্রকার অনিয়ম অবহেলা না করা হয় এবং ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত রাখার জন্য। ইতিমধ্যেই জনগণ এর সুফল ভোগ করছে কাঙ্খিত সেবাগুলি খুব সহজেই পাচ্ছে বলে জানা যায়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামিয়া নারায়ণগঞ্জ কে গ্রীন এন্ড ক্লিন শহর তৈরীর কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ অব্যাহত রয়েছে। শহরের যত ফেস্টুন ব্যানার ও শহরের রাস্তার উপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দোকানপাট অবসারণের কাজ চলছে। এতে শহরবাসী জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ প্রকাশ ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ শহরের মধ্যে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এবং অতি দ্রুত এর কার্যক্রম শুরু হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একের পর এক মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন। গত সোমবার মুসলিম নগর এতিমখানার এতিম ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের ঈদ উপহার প্রদান সহ একসাথে ইফতার করেন। এতে সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও এতিমরা প্রাণ ভরে দোয়া করেন জেলা প্রশাসকের জন্য। ঝরাঝীর্ণ নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ কে পূর্ণ সংস্কারের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। জেলা প্রশাসনের অর্থায়নে একটি গভীর নলকূপ বসিয়ে দিয়েছেন।নারায়ণগঞ্জের কৃষকদের মাঝে হাসি ফুটিয়েছেন। তাদেরকে উন্নত প্রযুক্তিতে দুইবারের বদলে তিনবার ফসল ফলানোর উদ্ভাবনের কথা বলেছেন। কৃষি জমি কমানো যাবে না আমাদেরকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। শুধু শুধু কৃষি জমি ফেলে রাখা যাবে না সেই জমি আমাদের ফসল লাগিয়ে কাজে লাগাতে হবে।তার এই উদ্যোগকে কৃষকরা প্রশংসা করেছেন। যোগদানের পর থেকেই প্রতিবন্ধীদের জন্য একের পর এক শহায়াতার হাত বাড়িয়েছেন তিনি।শারীরিক প্রতিবন্ধীদের মাঝে নতুন আশার আলো সঞ্চার দেখা দিয়েছে । শারীরিক প্রতিবন্ধী ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের হুইল চেয়ার ও শিক্ষা সহায়তা উপকরণ বিতরণ করেন। নারায়ণগঞ্জের মাটিতে পা রেখেই সর্বপ্রথম নজর দিয়েছেন প্রতিবন্ধীর দিকে। তাই বুঝতে বাকি থাকে না ডিসি কতটা দূরদর্শী কতটা মানবতাও কল্যাণকামী। তার এই কার্যক্রমে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। জেলা বাঁশির মুখে মুখে একই নাম জাহিদুল ইসলাম মিয়া। বলাবলি করে আরো আগে কেন নারায়ণগঞ্জে আসলো না এমন জেলা প্রশাসক। আরো আগে আসলে আরো আগে আমরা এই সুফল গুলি ভোগ করতে পারতাম। ২০ রোজার ভিতর শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের। এটা নিয়ে কোন তালবাহানা না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। ঈদের সময় শ্রমিকরা যারা নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তাদের জন্য নিরাপত্তার মধ্যে নিরাপদে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলেছেন। একের পর এক পদক্ষেপ ও কার্যক্রম হাতে নিচ্ছেন। শুধু মুখে নয় তা কাজে ও প্রমাণ করে দিচ্ছেন মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া।সম্প্রতি সারা বাংলাদেশের মত নারায়ণগঞ্জ জেলায় ও তেলের সংকট দেখা দিয়েছিল।গোডাউনে পর্যাপ্ত তেল থাকার পরেও দোকানে তেল পাওয়া যেত না। পাওয়া গেলেও বেশি দামে ক্রয় করতে আহত। তাই জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া মেঘনা গ্রুপ ও সিটি গ্রুপ কে অনুরোধ করেন ট্রাক সেল এর জন্য। তার আহবানে সাড়া দিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের পাঁচটি স্পটে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বল্প মূল্যে সরাসরি শহরবাসী তেলসহ অন্যান্য পণ্য গুলি খুব সহজেই ক্রয় করতে পারছেন। ও শিল্প প্রতিষ্ঠান এর শ্রমিকদের সুবিধার্থে টিসিবি ও ট্রাকসেল এর কার্যক্রমের সময় বৃদ্ধি করে দিয়েছেন। এত শ্রমিকরাও প্রতিষ্ঠান ছুটির পর ক্রয় করতে পারছেন। এতে হাজারো শ্রমিকরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ডিসির প্রতি। জেলা প্রশাসক বাউন্ডারির ভিতরে দীর্ঘ বছর যাবত চলমান একটি রাস্তা বন্ধ থাকায় হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হতো। ঘটনাটি তার দৃষ্টিগোচর হলে সাথে সাথে রাস্তাটি খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এবং হাজার হাজার মানুষ আর সুফল ভোগ করছেন এখন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে হাসপাতালও ক্লিনিক গুলিকে সেবার মান বাড়ানোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন।নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগা সংস্কার কাজ হাতে নিয়েছেন এবং তা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তার কার্যক্রম গুলি নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যখন ওই যে জেলায় গিয়েছেন ওই জেলার অসহায় নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের পাশে ছায়া হয়ে থেকেছেন। কারোর দুর্দিনের কথা কষ্টের কথা শুনলেই ঝটপট সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তদ্রপ নারায়ণগঞ্জে যোগদানের পর জেলা বাসীন্দাদের অসহনীয় দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করে যাচ্ছেন মানবতার ফেরিওয়ালা মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। তার কার্যক্রমে নারায়ণগঞ্জ বাসীর কাছে নিজেকে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে প্রমাণিত করেছেন। মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামিয়া ১৯৭৯ সালের অক্টোবর মাসে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা অগ্রণী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ম্যানেজার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ চাঁদ মিয়া। তিনি উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন। সন্তানের মধ্যে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। সবচেয়ে বড়। মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া ছাত্র জীবন থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পূর্ণ করেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে রাশিয়ান ভাষার ডিপ্লোমা অর্জন করেন। পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বৃত্তির আওতায় আন্তর্জাতিক মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় কৃতিত্বের সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে এম এস সি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০০৬ সালে ২৫ তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী কমিশনার হিসাবে লালমনিরহাট জেলায় যোগদান করেন। জেলার এনডিসি হিসেবে দীর্ঘ সময় লালমনিরহাট ও পরে নীলফামারী জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভুমি) হিসাবে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী ও মৌলভীবাজারের সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেন। তারপর পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ এবং নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মদক্ষতার পুরস্কার হিসেবে কমলগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থাকাকালীন ২০১৫ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পুরস্কৃত হন তিনি। তারপর থেকে যে জেলায় তিনি গিয়েছেন যে জেলাতেই তার কর্ম দক্ষতা ও অভিজ্ঞতায় জেলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। এবং জেলাবাসীর কাছে একজন মানবিক দেশপ্রেমিক জেলা প্রশাসক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। মানুষের দুঃখ দুর্দশা ভালো মন্দের কথা ভেবেই তার বেশিরভাগ সময় কাটে।প্রশাসনিক যত কাজ আছে তা করতে কখনো ধৈর্য হারা হননি। তার উপর অর্পিত যত প্রকার দায়িত্ব গুলি প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিনে শেষ করেন। কখনোই আজকের কাজ কালকের জন্য রাখেন না। এর জন্য অফিস ছুটির পরেও তাকে কাজ করতে হয়।মানুষ যেন কোন রকম হয়রানির শিকার না হয়ে সঠিক সেবা জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে পান সেদিকে সব সময় নজর থাকে তার। জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া মানবতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলছেন এবং মানুষের কাছে নিরাপদ আশ্রয় স্থল হয়ে উঠছেন।তার কাছে কোন অভিযোগ ও পরামর্শ প্রদান করার সাথে সাথে তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যক্রম শুরু করে দেন তদন্ত সাপেক্ষ। ।তাইতো তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ব্যবসায়ী চাকুরীজীবী শ্রমিক সুশীল সমাজ নাগরিক সমাজ সহ সর্বশ্রেনীর মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তার কর্মদক্ষতায় অভিজ্ঞতায় ও মিষ্টভাষী ব্যবহার আচরণে। নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসী তাকে পেয়ে অনেক আনন্দিত উচ্ছ্বাসিত ও গর্ববোধ করছেন। এরকম একজন জেলা প্রশাসক আমরা পেয়েছি আমরা অনেক ভাগ্যবান নারায়ণগঞ্জবাসী। এই জেলা বাসী ধন্য হয়েছেন। মোঃ জাহিদুল ইসলামিয়া বলেন মানুষের সেবা করার জন্যই প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দিয়েছিলাম। আমি সব সময় চেষ্টা করি মানবিক সাহায্যের আবেদন দ্রুততম সময়ে নিজপত্তি করার। তাদের জরুরী আর্থিক সাহায্য দরকার বলেই আমার কাছে আবেদন করেন। জীবনে যতদিন বাচবো যেখানেই থাকব মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যাশা নিয়ে বেঁচে থাকব ইনশাল্লাহ।তার এই কার্যক্রমে নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন এবং বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি। যা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের ইতিহাসে এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটছে। অথচ নারায়ণগঞ্জ জেলা একটি বিরাট জেলা। পাঁচটি এমপির মাধ্যমে ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ কে পরিচালনা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে কোন এমপি জনপ্রতিনিধি না থাকায় তাকে একাই পুরা জেলা কন্ট্রোল করতে হচ্ছে এক হাতেই দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে। এবং তিনি তা পারছেন। তার কার্যক্রমে নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন এবং তার সমস্ত কাজে তার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।