শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

কর্মজীবনে দেশের সেরা কর্মদক্ষতায় ও মানবিকতায় ও মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫
  • ২০ বার পঠিত

কর্মজীবনে দেশের সেরা কর্মদক্ষতায় ও মানবিকতায় ও মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ

এই প্রজন্মের উজ্জ্বল নক্ষত্র ও এক বিচক্ষণ জ্ঞানী গুণী সাহসী কর্মকর্তা, যিনি সাহসের সাথে স্বপ্নের সন্নিবেশ করে অদম্য স্পৃহায় ছুটে চলেন। তার মেধা, চিন্তা, জ্ঞানকে দেশের কল্যানে ব্যয় করার ব্রত নিয়ে সরকারী চাকুরীতে যোগ দিয়ে সর্বপ্রকার সুযোগের সদ্ব্যবহার করে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যান । সদ্ব্যবহারে যে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে তা তিনি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। তার সাথে দেখা করতে আসা সবার সাথে খুব সুন্দর মিষ্ট বাসি ব্যবহার করেন ও সবার সাথেই দেখা দেন কথা বলেন ও কথা শুনেন খুব মনোযোগ সহকারে । মানবতার প্রকৃত সংজ্ঞা কি? প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কতটুকু মানবিক হলে মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যায় তা তাকে দেখলে সহজেই অনুমান করা যায়। তিনি হচ্ছেন নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। যিনি মাত্র দুই মাসের মধ্যেই। নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসীর মন জয় করে ফেলেছেন। জেলা বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তার অতি অল্প সময়ের কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে। নারায়ণগঞ্জ জেলার সমস্ত সরকারি অফিসগুলোতে সেবার মানের কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছেন। যোগদানের প্রথম দিন থেকেই মানবতার ও মানবিকতার কাজ করে যাচ্ছেন। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এতিমখানা , রাস্তা, ঘাট, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাজার, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ আরো অন্যান্য উন্নয়নসহ নারায়ণগঞ্জকে গ্রীন এন্ড ক্লিন শহর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে বাস্তবায়নের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।নারায়ণগঞ্জের প্রধান সমস্যা যানজট ছিল। অনেক কঠোরতা ও বিশেষ ভূমিকা পালন করার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জবাসীকে যানজট নিরসন করে চলাচলের সুব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যাতায়াতের আরো সুবিধার জন্য ৮ জোড়া নতুন ট্রেন আনার ব্যবস্থা করেছেন। যা ২৬ শে মার্চ থেকে চলার কথা রয়েছে। তার এই সমস্ত কার্যক্রমে নারায়ণগঞ্জ জেলার সর্বমহল তাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করে নিয়েছেন এবং তার সমস্ত কাজে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একজন মানুষ এত বৃহত্তম শিল্প প্রতিষ্ঠান নগর নারায়ণগঞ্জ জেলাবাসীর হৃদয়ে কিভাবে স্থান করে নিল তা জানার জন্য তার অতীতের দিকে যাই। গিয়ে দেখি যেখান থেকেই সে বদলি হয়ে আর এক স্থানে এসেছেন সেখানকার মানুষের হৃদয় থেকে আসতে পারেন নাই। হয়তো স্বশরীরে আরেক স্থানে চাকরির নির্দেশনার কারণে আসতে হয়েছেন। যত স্থানে সে দায়িত্ব প্রাপ্ত ছিলেন সব স্থানের মানুষের হৃদয়ে জয় করে এসেছেন তার কর্মদক্ষতায় মানবিকতায় ও মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে । নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসী বলাবলি করছে আমাদের জেলা প্রশাসক বাংলাদেশের সেরা জেলা প্রশাসক হিসেবে পেয়েছি। এতে আমরা ভাগ্যবান ও ধন্য হয়েছি। আমরা আশা করি আমাদের নারায়ণগঞ্জ গ্রীন এন্ড ক্লিন শহরটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারলে একদিন বাংলাদেশের মডেলে পরিণত করতে পারবে এই নারায়ণগঞ্জ কে । এবং আরো নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসী বলেন গ্রীন এন্ড ক্লিন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের এই জেলা প্রশাসককে যেতে দিব না। প্রয়োজনে সারা জেলাবাসী আন্দোলন করবো তাকে দীর্ঘ সময় রাখার জন্য নারায়ণগঞ্জ উন্নয়নের জন্য।
কমলগঞ্জ থেকে নারায়নগঞ্জ যখন যেখানে গিয়েছেন সেখানেই তার হৃদয়ের বিশালতার পরিচয় দিয়েছেন। কখনো নিজে গাড়ী চালিয়ে, কখনো কারো মোটরসাইকেল এর পিছনে বসে ছুটে চলেছেন অবিরত। ক্লান্তিহীনভাবে তার ছুটে চলায় পরিলক্ষিত হয়েছে সত্যিকারের দেশ্রপ্রেমিকের প্রতিচ্ছবি। চাকুরীর খাতিরে অবস্থান করলেও কখনো মনে হয়নি তিনি শুধুই চাকুরী করছেন। মন প্রাণ উজাড় করে কাজ করেছেন এলাকার জন্য। নিজের ক্ষমতার সর্বস্ব দিয়ে এলাকার প্রয়োজনে ভূমিকা রেখেছেন নিঃস্বার্থ ভাবে। যখন যেখানে চাকুরী করেছেন হয়ে উঠেছেন সেই এলাকার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের আপনজন। যিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন মানুষ। তিনি নিরহংকারী, সুঠাম দেহের বিশাল হৃদয়ের অধিকারী মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রজাতন্ত্রে এ রকম কর্মকর্তা দেশবাসীর জন্য অহংকার।

২০১৩ সালের ৩১ মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বকালীন সময়ে ইচ্ছা করলেই যে মানুষের কাজ করা যায় সেটা জাহিদুল ইসলামের কর্মে স্পষ্ট দেখা গেছে। শুধু রুটিন কাজে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে কমলগঞ্জের সমস্যা, সম্ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে নিজের উদ্ধাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তা সমাধান করার চেষ্টা করেছেন। কমলগঞ্জ থাকাকালীন দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়ার মধ্যে নিজে গাড়ী চালিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মধু চাষীদের খবর নিয়েছেন। পরখ করেছেন তাদের মধু চাষ পদ্ধতি। ব্যবস্থা নিয়েছেন সহজ পদ্ধতিতে ঋন পাওয়ার।

তার সময়ে কমলগঞ্জের বিভিন্ন জাতীয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নববর্ষের অনুষ্ঠানে জনতার স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহন থাকতো। জাতীয় পর্যায়ের বরন্য শিল্পীদের উপস্থিতিতে এসব অনুষ্ঠান কমলগঞ্জবাসীর নজর কেড়েছে। দায়িত্ব পালনে তিনি প্রাণশক্তির পূর্ন ব্যবহার করেন। যেখানেই গিয়েছেন সেখানেই একজন সৌখিন, আদর্শ রুচিবোধ সম্পন্ন, বড় মনের মানুষ হিসেবে তাকে লক্ষ্য করা গেছে। যখন যেটার প্রয়োজন মনে করেছেন সেটাই করেছেন। কারো রক্ত চক্ষু তাকে তার লক্ষ্য থেকে সরাতে পারেনি। ২০১৫ সালের জানুযারী মাসে কোন রকমের রাজনৈতিক প্রভাবের তোয়াক্কা না করে স্থানীয় মুসল্লীদের দাবীর প্রেক্ষিতে যাত্রার প্যান্ডেল উচ্ছেদ করেন। যা সেই সময় বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে শিশু পার্ক নির্মাণ, উপজেলা পরিষদ মসজিদের ওজু খানা নির্মান, আদমপুর তহশিল অফিস সংস্কার কেবল তার কারনেই সম্ভব হয়েছে।

অসহায় হত দরিদ্র মানুষের ঘর নির্মানে টিন, অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান, দরিদ্র মেধাবীদের বেতন মওকুফ, ভর্তি, বই, পোশাকের জন্য নগদ অর্থের ব্যবস্থা, পিছিয়ে পড়া শব্দকর শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা, শিক্ষা উপকরন বিতরন, ধর্মপ্রান মুসলমানের মাঝে নিজের অর্থ ব্যয়ে কোরআন শরীফ প্রদান। কাজ গুলো তার সুনাম বৃদ্ধি করেছে। খেলাধূলার প্রসারে ভূমিকা রেখেছেন আপন মনে। কমলগঞ্জের যুব সমাজ তাকে আপনজন হিসেবেই বেচে নিয়েছিলো।

তিনি মাঠ প্রশাসনে প্রথম বারের মতো বড় পরিসরে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে তা বিন্দুমাত্র হাত ছাড়া করেননি। যতটুকু পেরেছেন কাজ করেছেন কমলগঞ্জবাসীর জন্য। কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৫ সালে হয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার। তার সময়ে অফিসার্স ক্লাবে প্রাণচাঞ্চলতা ফিরে আসে। দলবলে সকল অফিসারের ছুটে চলা স্থানীয়দের দৃষ্টি কাটত। তিনি নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রজাতন্ত্রের সত্যিকারের কর্মকর্তা হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছেন।

কমলগঞ্জ থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনে যুক্তরাজ্য গমন করেন। যুক্তরাজ্যে অবস্থান শেষে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানেও তিনি তার যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। চাটখিলের মানুষের আশা আকাঙ্খার বাস্তবায়নে নিরলস ভূমিকা রেখে তাদের মন জয় করেন। চাটখিলের মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান করে জেল ও জরিমানা করেছেন। তিনি সময়ে সুযোগে খাবার, পোশাক, ফলমুল, কম্বল নিয়ে ছুটে যান এতিমখানা, মাদ্রাসা, ছিন্নমুল বস্তি, রেলষ্টেশনে। কমলগঞ্জ ও চাটখিলে কখনো মিষ্টি, কখনো ফলমুল, কখনো খাবার নিয়ে হাজির হয়েছেন হাসপাতালে। ঈদের সময় পথচারীদের মধ্যে নগদ অর্থ ও কাপড় বিতরন তার স্বভাবজাত অভ্যাস। রাতের আধারে শীতকালে ভাসমান মানুষের মাঝে বিতরন করেন কম্বলসহ গরম কাপড়।

পরবর্তীতে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ে দীর্ঘদিন কর্মরত থাকাবস্থায় ২০২২ সালের ১ নভেম্বর উপ-সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০২৪ সালের ২ নভেম্বর রাজবাড়ী জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে সেখানকার মৌলিক সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ নেন। প্রতি বুধবার গণশুনানী গ্রহন করে তাৎক্ষনিক ভাবে ভুক্তভোগীর সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করতেন। রাজবাড়ীতে পেয়াজ চাষে ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় ৪ হাজার কৃষককে ভর্তুকির আওতায় আনার ব্যবস্থা নেন। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া এলাকায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম যৌনপল্লীর শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারী প্রাচ্যের ড্যান্ডি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ন নারায়নগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন। নারায়নগঞ্জে যোগদান করেই বিভিন্ন জনকল্যানমুখী কর্মসূচী হাতে নেন। যার মধ্যে অন্যতম হলো যানজট নিরসন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চিরচেনা নারায়নগঞ্জের যানজট এখন অনেকটা সহনীয়। শহরকে নাগরিকদের জন্য উপযোগী করতে হকার উচ্ছেদ, অবৈধ পার্কিং, অবৈধ অটো রিক্সা চলাচল বন্ধ কার্যক্রমে সফল হন। সর্বস্তরের অংশীজনের সাথে আলোচনা ক্রমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছেন। নারায়নগঞ্জ শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, আকর্ষনীয় রাখতে শহরের সকল ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড অপসারন করা হয়। তার বিচক্ষনতা, দক্ষতা আর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নারায়নগঞ্জ শহরে এখন নতুন আবহ বিরাজ করছে। গ্রীন এন্ড ক্লিন নারায়নগঞ্জ প্রকল্পের আওতায় ফিরে এসেছে শহরের সৌন্দর্য্য। তার বদান্যতায় নারায়নগঞ্জ সদরের ফলপট্রি এলাকার দুই নাম্বার রেল সিগন্যালে দ্রুত সময়ে নির্মিত হয় স্থায়ী গেইট। তিনি নারায়নগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্ধীদের নির্মল ও পরিচ্ছন্ন বিনোদনের জন্য ক্রিকেট টূর্নামেন্ট এর ব্যবস্থা করান। যা তার মানবিকতাকে ফুটে তুলেছে বৃহৎ পরিসরে।

দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিশু ‘আযান’, দু হাত বিহীন রহিম, জীবন সংগ্রামে হার না মানা অটো রিক্সা চালক নাছিমা, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কিশোরী হাকিমা আক্তার আলভীর চিকিৎসার জন্য প্রদান করেছেন সরকারী সহায়তা। তিনি সাধারণ মানুষ ও প্রতিবন্ধীদের ভরসার কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। সরকারী বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজের প্যাকেটের টাকায় আপনদকালীন কাজ চালিয়ে নেন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সোহাগকে শিক্ষা সহায়ক বিশেষায়িত ডিভাইস প্রদান করেছেন। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সরকারী বরাদ্দ জনগনের প্রয়োজনের সঠিক খরচ জাহিদুল ইসলাম মিঞার মতো কর্মকর্তার পক্ষে শতভাগ সম্ভব। রমযান মাসে নারায়নগঞ্জে ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অণুসরন করে সফল হন। তার প্রচেষ্টায় নারায়নগঞ্জে দুটি ভোজ্য তেল কোম্পানী রমযান মাস উপলক্ষে ট্রাকে করে তেল বিক্রি করছে। যখন যেখানে দায়িত্ব পালন করেছেন সেই এলাকাকে নিজের মতো করেই সাজিয়েছেন। যখন কোন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন মনে হয় ক্লাস নিচ্ছেন। স্পষ্ট করে সাবলীল ভাষায় কথা বলা তার বিশেষ গুন। কর্মরত এলাকায় দায়িত্বকালীন সময় মানুষের কল্যানে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়েছেন। ভালো কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করার সুযোগ সবার হয় না।

তিনি বাংলাদেশের সম্পদ। তিনি বীরমুক্তিযোদ্ধার ছেলে। তিনি আদর্শ বাবা মায়ের যোগ্য সন্তান। পারিবারিক শিক্ষা, শিষ্টাচার তাকে ভবিষ্যত মানবমুখী হতে উৎসাহ যুগিয়েছে। মোহাম্মাদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা হচ্ছেন বঞ্চনার জিঞ্চিল ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়া এক নাম। সর্বত্র মানবিক ডিসি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করা জাহিদুল ইসলামের মতো ভালো মানুষের পদচারনায় ভরপুর হউক বাংলাদেশ।মতো সবাই হলে হয়তো সোনার বাংলাদেশ হতে আর বেশি সময় লাগবে না এই দেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..